রুপবাণী ডেস্ক ৮ অগাস্ট ২০২৬ , ১২:৪৭ পিএম প্রিন্ট সংস্করণ
আর্জেন্টিনা দলের জয়ের উচ্ছ্বাস আর ট্রফি জয়ের গল্পগুলোতে তিনি ছিলেন আড়ালের নিঃশব্দ কারিগরদের একজন। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে আলবিসেলেস্তেদের বিশ্বজয়ের নায়কদের একজন নিকোলাস তালিয়াফিকো। কিন্তু জীবনের গতিময় নিয়মেই সময় বদলে যায়। বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে পরাজয়ের তিক্ততা এবং বিদায়ের সুর।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এবং পেছনের অক্লান্ত পরিশ্রম কেবল এক বা দেড় মাসের খেলা নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তবে নোটবুক বা ঝুলিতে আরও একটি অর্জন যুক্ত হলো। আর এর মূল্য অনেক, সত্যিই অনেক বেশি। যে পরিমাণ পরিশ্রম করা হয়েছে, তার জন্য এটি মূল্যবান। এটা ভাববেন না যে এই কাজটা মাত্র এক মাসে হয়েছে। ব্যাপারটা এমন নয় যে আপনি শুধু বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবলেন—যা এক মাস বা তার কিছু বেশি সময় ধরে চলে, এবার তো তাও একটু দীর্ঘ ছিল। এর পেছনে সাড়ে তিন বছরের পরিশ্রম লুকিয়ে আছে।’
আর্জেন্টিনার হয়ে ৮৩টি ম্যাচ খেলা এই লেফট-ব্যাক নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অত্যন্ত সততার সঙ্গে কথা বলেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপই কি তার শেষ বিশ্বকাপ ছিল? জবাবে তিনি বলেন, ‘এই বিশ্বকাপটির মূল্য আমার কাছে অনেক বেশি। কারণ হয়তো এটাই ছিল আমার শেষ বিশ্বকাপ। আমি মনে করি হ্যাঁ, এটাই আমার শেষ ছিল। আর একটি বিশ্বকাপ টেনে নেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।’
খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার পর কোচিং পেশায় যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তালিয়াফিকোর। তবে বর্তমান আধুনিক ফুটবলের পরিবর্তন এবং তরুণ ফুটবলারদের মানসিকতা নিয়ে নিজের ভাবনার কথাও প্রকাশ করেছেন তিনি। কোচিং কোর্স প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি কোচ হওয়ার জন্য কোর্স করছি, তবে দিন দিন এটি আরও কঠিন হয়ে উঠছে। ফুটবলাররা বদলে গেছে; এখনকার তরুণ খেলোয়াড়েরা নিজেদের অনেক বেশি তারকা মনে করে।’
একটি সোনালি যুগের সাক্ষী হয়ে এবং শতভাগ উজাড় করে দেওয়ার তৃপ্তি নিয়েই যেন আর্জেন্টিনা দলকে বিদায় জানানোর পথে এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার।











